Monday, November 27, 2023

ভয় দিয়ে জয় নয় ভালোবাসা দিয়ে পৃথিবী জয় : নাজমুল হাসান

 ভয় দিয়ে জয় নয় ভালোবাসা দিয়ে পৃথিবী জয়: নাজমুল হাসান

ছোট্ট সংসারে প্রিয়তমা স্ত্রী বা প্রিয়তম স্বামী ভয় দেখাচ্ছে সংসার ভাঙ্গার, শত স্বপ্ন নিয়ে পড়তে আশা ছোট্ট শিশুকে ভয় দেখানো হচ্ছে প্রাইভেট টিউশনিতে না যোগ দিলে পরীক্ষায় কম নম্বর দিয়ে অকৃতকার্য করে দেওয়ার, মহিরুহ সুস্থতার আশা নিয়ে চিকিৎসকের কাছে আসা রোগীকে রোগের ভয় দেখিয়ে তাকে দূর্বল করে সুস্থ জীবনের ব্যাপারে আশাহত করে দেওয়ার, মায়ের গর্ভে থাকা চিরসুন্দর নিষ্পাপ শিশুকে পৃথিবীর সুন্দর দেখতে মায়ের গর্ভ থেকে সুস্থভাবে বের করে আনতে যাওয়া মা ও বাবাকে আগত শিশু ও মায়ের স্বাস্থ্যঝুকির ভয় দেখিয়ে সিজার করার জন্য বাধ্য করতে ভয় দেখানো, প্রকৌশলী কর্তৃক নিমার্ণত্তোর কালে স্থাপনার ক্ষতির ভয় দেখানো, শান্তি ও মিমাংসা প্রত্যাশি ব্যক্তিদের মামলা, জেল জুলুমের ভয় দেখানো, মেহনতি মানুষকে কর্মচ্যুত করার ভয় দেখিয়ে স্বল্পমূল্যে অধিক কর্মঘণ্টা কাজ করিয়ে নেওয়া, ঘাটের ধারে অপেক্ষায় থাকা আগত যাত্রীদের যান না পাওয়ার ভয় দেখানো, সংবাদ পত্রে যা খুশি তাই লিখে অপমান ও মানহানি করানোর ভয় দেখানো, ধর্ম প্রাণ মানুষদের জঙ্গী বানিয়ে জেলে ঢুকানোর ভয় দেখানো, রাজনৈতিক নেতা কর্তৃক ভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মীদের খেলা হবে বলে ভয় দেখানো, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি কর্তৃক অন্য রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের জেলে ভরে অত্যাচারের ভয় দেখানো, ক্ষমতাশীন রাজনৈতিক দলে নেতা কর্মীরা ক্ষমতার পালাবদলে নির্বিচারে নিজ দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের গুম, খুন ও অত্যাচারের ভয় দেখানো, আমাদের চারিধারে এই রকম হাজার রকমের ভয় ও ভীতির বাস্তব উপাখ্যান বিদ্যমান যার স্মারণী প্রতিদিনই হচ্ছে দীর্ঘ আর দীর্ঘ হচ্ছে মানুষের দুঃখের দিন ও রাতে পরিধি!
 
চারদিকে শুধু ভয় আর ভীতির পরিবেশ তৈরি করে যে যার মতো নানান স্বার্থ হাসিলে ব্যস্ত। অথচ কখনো এটা চিন্তাও কেউ করে না যে, ভয় দেখিয়ে যা কিছু পাওয়া যায় তা খুবই অনিশ্চিত ও ভঙ্গুর। তার বিপরীতে ন্যায্যভাবে, পরম মমতা ও ভালোবাসা দিয়ে বা সঠিক জ্ঞানে আলোকে সচেতনতা তৈরি করে যে, অবস্থা, কর্ম সম্পাদিত হয় বা সম্পর্ক তৈরি হয় সেটা বহুগুন মজবুত ও আস্থাশীল। তাবৎ দুনিয়ার সকল বাঁধা বিপত্তিকে পিছনে ফেলে বীরের মতো বুক চেতিয় দাড়িয়ে থাকে বা স্থির থাকে সে অবস্থা বা বন্ধন কুতুব মিনারের মতো বা চীনের প্রাচীরের মতো বা শাহজাহানের তাজমহলের মতো, আইফেল টাওয়ারের মতো, কিংবা মক্কার নগরীর ক্বাবা ঘরের মতো, যাকে দুনিয়ার শুরু থেকে আল্লাহর প্রিয় মানুষেরা পরম ভালোবাসায় ও শ্রেদ্ধায় আগলে রেখেছে, সংস্কার করেছে এবং সব সময় তার সান্নিধ্যে যেয়ে মহান রবের নৈকট্য পেতে চায়। আসুন, ভয় বা ভীতির পরিবেশ তৈরি করা বন্ধ করি। মানুষকে নিঃস্বার্থভাবে ভালোবাসি। আর এই ভালোবাসা আমাদেরকেও আমাদের মহান রবের ভালোবাসা ও পুরস্কার পেতে সাহায্য করে যে, ভালোবাসা চিরন্তন ও যে পুরস্কার স্থায়ী। 
 
ভয় আর ভীতির পরিবেশ তৈরি করা যদি বন্ধ না করা হয় তবে আমাদের প্রিয় এ সংসার, সমাজ ও রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ কোথায় গিয়ে দাড়াতে পারে তা কি একবার আমরা ভেবে দেখেছি? ভয়ের এই পরিবেশ থেকে প্রিয় সংসার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে বাঁচাতে ভূমিকা রাখতে হবে আমাদের সবার। সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে ভয়কে জয় করতে হবে ও ভয়ের পরিবেশকে ভেঙ্গে ফেলে সবাই মিলে ভালোবাসা, বিশ্বাস, যত্ন ও আত্মত্যাগের মধ্যদিয়ে সবাই সবার জন্য একটি সৎ ও সুন্দর নির্ভয় পরিবেশ গড়ে তুলবো । যেখানে সবাই মুক্ত মনে মুক্ত চিন্তার বিকাশ ঘটিয়ে সকল পথ ও মতের মানুষের একটি মিলন মেলায় শৃঙ্খলাপূর্ণ সহাবস্থান পাবে।

Friday, July 9, 2021

কিভাবে বিজয় কিবোর্ড দিয়ে বাংলা টাইপিং করবেন? How to type Bangla with Bijoy Keyboard

 কিভাবে বিজয় কিবোর্ড দিয়ে বাংলা টাইপিং করবেন? আসুন সহজে শিখে নেই আর কাজের গতি বাড়াই! আমরা অনেকেই মোবাইলে বা কম্পিউটারে অভ্র ও বিভিন্ন ইউনিকোড কিবোর্ড দিয়ে বাংলা লিখে থাকে কিন্তু কম্পিউটারে বিজয় দিয়ে বাংলা টাইপিং করতে পারি না। খুব কঠিন মনে হয়।

Why is Facebook's reach down? How to increase reach of your Facebook Business Page? কোন ফেসবুকে বিজনেজ পেইজের রিচ কমে যায়? এবং কিভাবে ফেসবুকে বিজনেজ পেইজের রিচ বাড়ানো যায়

 


Tuesday, September 3, 2019

কাপুরুষত্ব ও আমরা




কাপুরুষত্ব ও আমরা...
সফলতার অন্যতম প্রতিবন্ধক একটা ব্যক্তিত্ব হলো কাপুরুষত্ব। সাধারন অভিধান কাপুরুষ শব্দে পরিচয় দিয়ে থাকে এভাবে, সাহসহীন ও পুরুষ নামের অযোগ্য ব্যক্তি; ভয়ে কর্তব্য বা আত্মসম্মান বিসর্জন দেয় এমন অপদার্থ ব্যক্তি। ভীরু, সাহসহীন; অপদার্থ। ইংরেজিতে কাপুরুষকে বলে Cowardliness । কাইয়র্ডিস একটি বৈশিষ্ট্য যা ভীতি ও অত্যধিক স্ব-উদ্দীপনাকে অকার্যকর করে দেয় বা যা সঠিক, ভাল এবং অন্যদেরকে সাহায্য করার অথবা প্রয়োজনের সময় নিজেদেরকে বলার মতো-এটি সাহসের বিপরীত। একটি লেবেল হিসাবে, "কাপুরুষতা" একটি চ্যালেঞ্জের মুখে চরিত্রের ব্যর্থতা নির্দেশ করে। অনেক সামরিক ন্যায় বিচারের আওতায়, যুদ্ধে ভয়াবহতা মৃত্যুর দ্বারা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। বেশিরভাগ সংস্কৃতির ক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয়তা বা প্রয়োজনীয়তা প্রত্যাহারের হিসাবে, এটি প্রায়ই একটি চরিত্রগত ত্রুটি বলে মনে করা হয় যা বিভিন্নভাবে কলঙ্ক বা শাস্তি হতে পারে।

মূলত এটা এমন না যে নারী বা পুরুষের বা রুগ্ন ভগ্ন নীচুজাতের সাথে জড়িত! এটা থাকতে পারে আমার মধ্যে আপনার মধ্যে বা আপনার পছন্দের মানুষের মধ্যে। এদের নিয়ে আর যাই হোক না কেন সফলতার মঞ্চে আরোহন করা জীবনের সম্ভব না। কারণ তারা সর্বদা সিদ্ধান্তহীনতা ভোগে, নিজ বংশ ও পেশা পরিচয় প্রকাশে হীনমন্যতায় ভোগে। সবচেয়ে বড় ও ভয়ানক দিক হলো যে, কোনোভাবে যদি কোনো সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেও তারা সেখান থেকে পশ্চাৎপদ অনুস্মরন করে বা সেখান থেকে ফিরে আসে। ইসলাম তাই যুদ্ধের ময়দান থেকে পরায়নকে হারাম করেছে। এটা মুনাফিকের অন্যতম একটি পরিচয়।

মুনাফিকরা মূলতঃ কাপুরুষ। তাই তোমাদের মাঝে যাতে বিদ্বেষ ও ফিতনা-ফাসাদ ছড়িয়ে পড়ে সেজন্য তারা পরনিন্দার মাধ্যমে যারপর নাই চেষ্টা করে। তাছাড়া তোমাদের মাঝেতো তাদের অনুগত কিছু লোক আছে। তাদের কথাবার্তা, আলাপ-আলোচনা ওদের ভাল লাগে। ওরা তাদের কল্যাণ কামনা করে; অথচ তাদের অবস্থা ওরা ভাল করে জানে না। এতে করে মুমিনদের মাঝে একটা খারাপ অবস্থা এবং মহা বিপর্যয় দেখা দেয়।মুনাফিকের কাছ থেকে মিথ্যা শপথ, ভয়-ভীতি, কাপুরুষতা ও অস্থিরতা প্রকাশ পায়।

আল্লাহ তা‘আলা মুনাফিকদের উক্ত আচরণাদি সম্পর্কে বলেন,

وَيَحْلِفُوْنَ بِاللهِ إِنَّهُمْ لَمِنْكُمْ وَمَا هُم مِّنْكُمْ وَلَـكِنَّهُمْ قَوْمٌ يَفْرَقُوْنَ- لَوْ يَجِدُوْنَ مَلْجَأً أَوْ مَغَارَاتٍ أَوْ مُدَّخَلاً لَّوَلَّوْا إِلَيْهِ وَهُمْ يَجْمَحُوْنَ-

‘এরা আল্লাহর নামে শপ থ করে যে, এরা তোমাদেরই অন্তর্ভুক্ত। অথচ এরা কখনই তোমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়। বস্ত্ততঃ এরা এমন লোক, যারা ভয় করে থাকে। এরা কোন আশ্রয়স্থল, কোন গুহা অথবা মাটির ভিতর ঢুকে পালাবার মত কোন সুড়ঙ্গ পেলে অবশ্যই তোমাদের ছেড়ে এসব জায়গার দিকে দ্রুত পালিয়ে যাবে’ (তওবা ৯/৫৬-৫৭)।

আল্লাহ তা‘আলা তাঁর নবীকে মুনাফিকদের অস্থিরতা, ভয়-ভীতি, অসহিষ্ণুতা ইত্যাদি সম্পর্কে ধারণা দিতে গিয়ে বলেন, ওরা জোরাল শপথ করে বলে যে, ওরা তোমাদের লোক, অথচ প্রকৃতপক্ষে ওরা তোমাদের লোক নয়। এই মিথ্যাকে সত্য প্রমাণ করতেই ওরা কসমের আশ্রয় নিয়েছে। ওরা তোমাদের প্রতি এতটাই বিদ্বেষপরায়ণ যে, যদি তোমাদের সংস্পর্শ থেকে বাঁচার জন্য কোন দুর্গ পেত, তবে তাকে আশ্রয়স্থল বানাত অথবা কোন গিরিগুহা পেলে তাতে ঢুকে পড়ত কিংবা মাটিতে কোন সুড়ঙ্গ পেলে তথায় পালিয়ে যেত। তোমাদের থেকে সরে পড়ার কাজটা তখন তারা খুব দ্রুতই করত। কারণ তারা তো মুমিনদের সাথে মিশে মনের ঘৃণা ও অসন্তোষ নিয়ে, ভালবাসার টানে নয়। তারা মন থেকে চায় যে, মুমিনদের সাথে যেন তাদের মিশতে না হয়। কিন্তু বাধ্য হয়ে মিশতে হচ্ছে বলে তারা সব সময় পেরেশানী, দুঃখ-বেদনা ও দুশ্চিন্তার মধ্যে দিনাতিপাত করে।

অপরদিকে মুসলমানরা আল্লাহর রহমতে সব সময় উন্নতি, সম্মান ও বিজয়ের মধ্যে রয়েছে। ফলে যখনই কোন ক্ষেত্রে মুসলমানদের খুশির ঘটনা ঘটে তখনই তাদের মনোকষ্ট বেড়ে যায়। ফলে মুসলমানদের সংস্রবে যাতে থাকতে না হয় সেটাই তাদের কাম্য। এজন্যই আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন, তারা কোন আশ্রয়স্থল কিংবা কোন গিরিগুহা কিংবা কোন সুড়ঙ্গ পেলে দৌড়ে গিয়ে তাতে আশ্রয় নিত।

আল্লাহ তা‘আলা আরো বলেন,

وَإِذَا رَأَيْتَهُمْ تُعْجِبُكَ أَجْسَامُهُمْ وَإِن يَقُوْلُوْا تَسْمَعْ لِقَوْلِهِمْ كَأَنَّهُمْ خُشُبٌ مُّسَنَّدَةٌ يَحْسَبُوْنَ كُلَّ صَيْحَةٍ عَلَيْهِمْ هُمُ الْعَدُوُّ فَاحْذَرْهُمْ قَاتَلَهُمُ اللهُ أَنَّى يُؤْفَكُوْنَ-

‘তুমি যখন তাদের দেখবে তখন তাদের দেহকান্তি তোমাকে অভিভূত করবে এবং যদি তারা কথা বলে, তবে তুমি তাদের কথা সাগ্রহে শুনবেও। তারা দেয়ালে ঠেকানো কাঠের স্তম্ভ সদৃশ। তারা যেকোন শোরগোলকেই নিজেদের বিরুদ্ধে মনে করে। এরাই হচ্ছে দুশমন। সুতরাং এদের থেকে হুঁশিয়ার থেকো। আল্লাহ তাদের ধ্বংস করুন। এরা বিভ্রান্ত হয়ে কোথায় ফিরে চলছে? (মুনাফিকূন ৬৩/৪)।

ইবনুল ক্বাইয়িম (রহঃ) বলেন, এই মুনাফিকরা সবচেয়ে সুন্দর দেহের অধিকারী, সবচেয়ে আকষর্ণীয় ভাষার অধিকারী, কথাবার্তায় অত্যন্ত সুমিষ্ট; কিন্তু তাদের মন সবচেয়ে বেশী নোংরা এবং অন্তর অত্যন্ত দুর্বল। এজন্য তাদের উদাহরণ দেয়ালে ঠেকানো সেই কাঠের মত, যার কোন সারবত্তা নেই। যেগুলো শিকড় থেকে উপড়ে ফেলানো। তারপর সেগুলোকে দেয়ালে ঠেস দিয়ে রাখা হয়েছে; যাতে মাটিতে পড়ে থাকায় পথচারীরা পা মাড়িয়ে না যায়।

তাই এমন কাউকে নিয়ে কোনো কর্মে নিযুক্ত হওয়াকে আত্মহত্যার শামিল বলে আখ্যাই দিয়েছেন। শেখ মুজিব তো বলেছেন,
“অযোগ্য নেতৃত্ব, নীতিহীন নেতা ও কাপুরুষ রাজনীতিবিদদের সাথে কোনোদিন একসাথে হয়ে দেশের কাজে নামতে নেই। তাতে দেশসেবার চেয়ে দেশের ও জনগণের সর্বনাশই বেশি হয়। ”

আর ডঃ লুৎফর রহমান বলেন,
“ যারা কাপুরুষ তারাই ভাগ্যের দিকে চেয়ে থাকে, পুরুষ চায় নিজের শক্তির দিকে। তোমার বাহু, তোমার মাথা তোমাকে টেনে তুলবে, তোমার কপাল নয়॥ ” এর মানে হচ্ছে কাপুরুষ নিজ শক্তি সামর্থ্যকে কাজে লাগাতে চায় না পারে না পরনির্ভরশীল। এমন যে কেউ এসে তার সব কাজ করে দিব।

এদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে কাপুরুষের আরো একটা পরিচয় খুব সহজেই পাওয়া যায় আর তা হলো, ন্যায় দেখেও প্রতিবাদ প্রতিরোধ না করা, নির্লিপ্ত, মুখবুঝে থাকা। যেমন আজ জাতীয় জীবনে যা হয়েছে হচ্ছে! এটা অবশ্য এটা প্রমান করে সাহসিকতা বীরত্ব ও কাপুরুষত্ব এগুলো পৈত্রিকসূত্রে প্রাপ্ত হওয়া যায় না। আবার উচ্চ শিক্ষিত হলেও কাপুরুষ হতে পারে উদাহরণ আমাদের জাতীয় অধিকাংশ আমলারা।যারা দেশে চলমান বিচারহীনতার প্রতিবাদ বা প্রতিহত করে নি!

এখন আসুন ভাবি তো আমার আপনার মধ্যে কি এমন স্বভাব বা বৈশিষ্ট্য আছে নাকি? যদি থাকে কি করবেন? সেটা আমি আপনিই নির্ধারণ করুন কাপুরুষের মতো শত বছর বাঁচবেন নাকি বীরপুরুষের মতো বীরত্ব নিয়ে প্রয়োজন হলো একদিন বাঁচবেন!

Professional Skills

IsDB-BISEW আইটি স্কলারশিপ (IT Scholarship) প্রোগ্রামের বাছাই পরীক্ষা

IsDB-BISEW আইটি স্কলারশিপ (IT Scholarship) প্রোগ্রামের বাছাই পরীক্ষা আইএসডিবি বাংলাদেশে মুসলিম শিক্ষার্থীদের এটি একটি উন্নত বিশাল সুযোগ     ...